নিজস্ব সংবাদ: পাল সাম্রাজ্যের পতনের পর সামন্ত সেনের হাত ধরে একাদশ ও দ্বাদশ শতকে বাংলায় শুরু হয় সেন সাম্রাজ্য । গড়িয়ার বোড়াল অঞ্চলের সেন দিঘী থেকে উদ্ধার হওয়া পাল ও সেন যুগের কিছু স্থাপত্য ও ভাস্কর্য এই দাবি রাখে। বহু বছর আগে ১১১ নম্বর ওয়ার্ড অন্তর্গত গড়িয়ার বোড়াল অঞ্চলে সেন পরিবারের হাতে সেন দিঘি থেকে স্বপ্নাদেশে প্রাপ্ত মা ৺ত্রিপুর সুন্দরীর মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। বলা হয় মা ৺ত্রিপুর সুন্দরী দেবী দুর্গার এক রূপ বুধের দেবী। এলাকার প্রাচীন ও পূজনীয় শ্রী শ্রী ৺ত্রিপুর সুন্দরী মন্দির দীর্ঘদিন ধরে মানুষের ভক্তি, আস্থা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এই বুধের দেবী শ্রী শ্রী ৺ত্রিপুর সুন্দরী মায়ের আরাধনাকে কেন্দ্র করে এই মন্দিরে প্রতিদিন বহু ভক্তের সমাগম ঘটে। মন্দিরটি তার শান্ত পরিবেশ ও ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
নিত্যপূজা, বিশেষ আরতি এবং নানান ধর্মীয় অনুষ্ঠান অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হয়। সরস্বতী পূজার দিন মায়ের প্রধান উৎসব তিন দিনব্যাপী চলে। এই তিন দিন দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় । এছাড়াও নবরাত্রি, কালীপূজা ও অন্যান্য উৎসবের সময় মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ভক্তদের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে ১১১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত শ্রী শ্রী ৺ত্রিপুর সুন্দরী মন্দির আজ গড়িয়া বোড়াল এলাকার এক গর্বের স্থানে পরিণত হয়েছে। এলাকার বিধায়ক তথা মাননীয় মন্ত্রী শ্রী অরূপ বিশ্বাস মহাশয়ের ঐকান্তিক উদ্যোগে ধীরে ধীরে এই মন্দিরটি আরো সুন্দর থেকে সুন্দরতর হয়ে উঠছে। আগামী ১৯শে জানুয়ারি মাননীয় মন্ত্রী শ্রী অরূপ বিশ্বাস মহাশয়ের উদ্যোগে নির্মিত শ্রদ্ধাঞ্জলি ভবনের পুনঃ সংস্কার ও সম্প্রসারণ, নবনির্মিত গোশালা এবং আনুমানিক ৫ বিঘা জমি নিয়ে নির্মিত শ্রী শ্রী ৺ত্রিপুর সুন্দরী মায়ের কাননের ( সবজি ক্ষেতের ) শুভ উদ্বোধন হতে চলেছে। সকল ভক্ত বৃন্দ ও দর্শনার্থীদের এই পবিত্র স্থানে এসে দেবীর আশীর্বাদ লাভের জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।





