web analytics
oplus_4194306

কলকাতা: হুন্ডাই মোবিসের ভারতে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) শাখা মোবিস ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন তাদের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ ‘অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যান্ড ফ্রিডম – এমপাওয়ারিং হুইলচেয়ার ইউজার্স উইথ মোবিলিটি অ্যাসিস্টিভ ডিভাইসেস’-এর আওতায় কলকাতার ৩২ জন হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীর হাতে তাঁদের ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী তৈরি চলাচলের সহায়ক সরঞ্জাম তুলে দিয়েছে। এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে এই উদ্যোগের পর্ব সম্পূর্ণ হয়েছে। কলকাতা ও শিলিগুড়ি মিলিয়ে মোট ৬০ জন উপকৃত হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর লোকোমোটর ডিজঅ্যাবিলিটিজ (দিব্যাঙ্গজন)-এর অধিকর্তা ড. ললিত নারায়ণন, উপ-অধিকর্তা সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায়, সহকারী অধিকর্তা ড. আমিদ ইকবাল এবং পি অ্যান্ড ও বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকাশ সাহু। মোবিস ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন CSR বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সন্তোষ শ্রীবাস্তব, CSR এক্সিকিউটিভ ইনফ্যান্ট রোশিনা, লজিস্টিকস বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুশান্ত কুমার বেহেরা এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার সুদীপ চক্রবর্তী।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও স্পাইনাল কর্ডের আঘাতজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাধীনভাবে চলাফেরার সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। মোট ৬.৩ কোটি টাকার এই জাতীয় কর্মসূচির আওতায় আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৬০০ জন হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীকে সহায়তা করা হচ্ছে। তাঁদের জন্য ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী তৈরি নিওফ্লাই হুইলচেয়ার এবং নিওবোল্ট মোটরচালিত অ্যাটাচমেন্ট প্রদান করা হচ্ছে। আইআইটি মাদ্রাজে ইনকিউবেটেড সহায়ক প্রযুক্তি সংস্থা নিওমোশনের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এই কর্মসূচিতে প্রত্যেক উপভোক্তার শারীরিক গঠন, ক্লিনিক্যাল অবস্থা ও কার্যকরী চাহিদা অনুযায়ী মূল্যায়ন করে সরঞ্জাম তৈরি করা হয়। এর ফলে চলাফেরায় আরাম, নিরাপত্তা ও স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পায়।

মোবিস ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের CSR বিভাগের এক্সিকিউটিভ ইনফ্যান্ট রোশিনা বলেন, “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাধীন জীবনযাপন ও সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য চলাচলের সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী সহায়ক সরঞ্জাম প্রদানের মাধ্যমে আমরা তাঁদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আরও স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে চাই।” ড. ললিত নারায়ণন বলেন, ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি চলাচলের সহায়ক সরঞ্জাম প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়তে সরকারি প্রতিষ্ঠান, CSR সংস্থা ও সহায়ক প্রযুক্তি সংস্থাগুলির যৌথ উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

Verified by MonsterInsights