web analytics
267112ba-c56b-41d7-bd84-5a63b2d6b1a7

পারিজাত মোল্লা , চিরাচরিত জাতীয় লোক আদালত নয়, এবার রাজ্যের ৫ টি জেলায় বিভিন্ন দিনের পরিপ্রেক্ষিতে বসেছিল বিশেষ জাতীয় লোক আদালত। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী হুগলির শ্রীরামপুর মহকুমা আদালতে বসেছিল ‘বিশেষ’ জাতীয় লোক আদালত। গোটা রাজ্যে মাত্র ৫ টি জেলায় গড়ে ১ টি করে বিশেষ লোক আদালত বেঞ্চ বসেছে। হাওড়া – পূর্ব বর্ধমান জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে এই জাতীয় আইনী কর্মসূচি। এদিন হুগলি জেলা আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর সচিব শ্রীমতী মানালী সামন্তের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একমাত্র বেঞ্চ-টি বসেছিল শ্রীরামপুর মহকুমা আদালতে । উক্ত বেঞ্চে এডভোকেট মেম্বার হিসাবে ছিলেন আইনজীবী মানস সাঁতরা, সমাজকর্মী মেম্বার হিসাবে ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের ‘নন এডভোকেট মিডিয়েটর’ হিসাবে তালিকাভুক্ত ‘আইনী সংবাদদাতা’ মোল্লা জসিমউদ্দিন।এদিন আইনের ছাত্রী (ইন্টার্ন) দিয়া মুখার্জি ছিলেন লোক আদালতের কাজকর্ম জানতে। হুগলি জেলা আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর অফিস মাস্টার সাহানা খাতুন বলেন -“বাজাজ ফাইনান্সের তরফে ৬২৬ টি মামলা নথিভুক্ত ছিল। যার একাংশ মিটে গেছে”। জানা গেছে, হুগলি জেলায় বাজাজ ফাইনান্স কর্তৃপক্ষ জেলা আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষের কাছে নির্ধারিত জাতীয় লোক আদালত বসার প্রাক্কালে জমে থাকা মামলার নিস্পত্তি ঘটানোর জন্য বিশেষ লোক আদালত চেয়ে লিখিত আবেদন জানিয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিশেষ জাতীয় লোক আদালতের বেঞ্চ। অপরদিকে হুগলি জেলা ও দায়রা বিচারক শ্রী শান্তনু ঝার নেতৃত্বে মিডিয়েশন ক্যাম্পেন নিয়ে ব্যাপক প্রচার চলছে সারা জেলাজুড়ে। বিনা খরচে দু’পক্ষের সহমতের ভিত্তিতে কিভাবে দ্রুত মামলার নিস্পত্তি ঘটবে? তা সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট জেলা আদালত কর্তৃপক্ষ ।

SHILPANEER NEWSPAPER

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights